কার্গো জাহাজের চালক এবং লঞ্চের চালক দু’জনেই বেপরোয়া গতিতে ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রিট মো. শামীম বেপারী। ২১ মার্চ দুপুরে শীতলক্ষ্যা নদীর চর সৈয়দপুর আল আমিন নগর এলাকায় কার্গো জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চ ডুবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি দু’জনেই বেপরোয়া গতির চালক ছিলেন। এরপর আমরা ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে বিস্তারিত জানাতে পারবো। আশা করি এবার আমরা জোরালো পদক্ষেপ নিতে পারবো।
এর আগে ২০ মার্চ রাতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শামীম বেপারীকে প্রধান করে এ তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নিহত প্রত্যেকের মরদেহ দাফনের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ।
এদিকে ভোর ৫টায় মাঝনদী থেকে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া মুন্সিগঞ্জগামী এম এল আফসার উদ্দিন নামের যাত্রীবাহী লঞ্চটি উদ্ধার করেছে বিআইডব্লিউটিএ। লঞ্চের ভিতর তল্লাশী চালিয়ে কোনো দেহ পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ এখন পযন্ত ৮ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শিরা বলছেন, এখনো নিখোঁজ রয়েছে অনেকে।
এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে বিআইডব্লিউটিএ। ওই মামলায় ৮ জনকে আসামী করা হয়েছে। তাদেরকে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রোববার দুপুরে কার্গো জাহাজ এমভি রূপসী-৯ ধাক্কায় নারায়ণগঞ্জ টু মুন্সীগঞ্জগামী আফসারউদ্দিন নামে লঞ্চটি ডুবে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, অন্তত ৩০ জন যাত্রী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
আইন আদালত







