ইউক্রেনের একটি অস্ত্র ভাণ্ডার ধ্বংসের জন্য প্রথমবারের মতো কিনজাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে রাশিয়া। হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। হাইপারসনিক মিসাইল শব্দের চেয়ে ১০ গুণ বেশি গতিতে ছুঁটতে পারে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করারও সক্ষমতা রয়েছে।
শনিবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শুক্রবার হাইপারসনিক অ্যারোব্যালিস্টিক মিসাইল কিনজাল ইভানো-ফ্রাঙ্কিভস্ক অঞ্চলের ডেলিয়াটিন গ্রামে ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিমানের গোলাবারুদ ধারণকারী একটি ভূগর্ভস্থ গুদাম ধ্বংস করেছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে রাশিয়া উচ্চ-নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করার কথা কখনো স্বীকার করেননি।
কিন্তু এবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ নভোস্তি জানিয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে কিনজাল হাইপারসনিক অস্ত্রের প্রথম ব্যবহার হয়েছে।
শব্দের গতি হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ১,১২৫ ফুটের মতো। অনেক সামরিক জেট বিমান বা কনকর্ডের মত যাত্রীবাহী বিমানও এর চেয়ে বেশি দ্রুত অর্থাৎ ‘সুপারসনিক’ গতিতে উড়তে পারে। কিন্তু একটা হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে পাঁচ থেকে নয় গুণ বেশি গতিতে ছুঁটতে পারে।
২০১৮ সালে এক রাষ্ট্রীয় ভাষণে পুতিন জানিয়েছিলেন একটি আদর্শ অস্ত্র হচ্ছে কিনজাল ক্ষেপণাস্ত্র।
বর্তমান বিশ্বের ৮টি দেশ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।






